আলমডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ রমজান এলেই মূল্যবৃদ্ধির যেন প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এবার রমজানে নিত্যপণ্যের দাম সরকার বেঁধে দিলেও কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সরবরাহ কম, ভ্যাট বেশি, ডলার সংকটের মতো নানা অজুহাতে পণ্যের দাম বৃদ্ধি করেই চলেছেন আলমডাঙ্গার ব্যবসায়ীরা। গত বৃহস্পতিবার আলমডাঙ্গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অভিযান চালালেও শনিবাব (১৬ মার্চ) সকাল থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গায় বাজারের সকল প্রকার পণ্যের দাম ছিল আকাশ ছোঁয়া। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ করে আলমডাঙ্গা বাজারের চিত্র পাল্টে যেতে শুরু করে। সকালে যে তরমুজ বিক্রয় হতে ছিল ৭৮ থেকে ৮০ টাকা কেজি, ১১ টার পর পরই সেই তরমুর বিক্রয় হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। কারণ জিজ্ঞাসা করতেই সামনে হাজির ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টিম।
বেলা ১১ টা থেকে চুয়াডাঙ্গার ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক সজল আহমেদ আলমডাঙ্গা বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানে পন্য ক্রয়ের মেমো, মূল্য তালিকা, ওজনসহ বিভিন্ন বিষয় মনিটরিং করেন।
এ সময় মেম্বার ফল ভান্ডারের প্রতিষ্ঠানে তরমুজ ব্যবসায়ী রনি আহমেদ বেশি দামে তরমুজ বিক্রি এবং ক্রয় মেমো না থাকায় রনি আহমেদকে ৩ হাজার টাকা ও একই অপরাধে মেসার্স মা বাণিজ্যালয়ের তরমুজ ব্যবসায়ী সাকিবকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বেশি দামে খেজুর বিক্রয় ও মূল্যতালিকা না থাকায় মারুফ ফল ভান্ডারের মালিক মারুফকে ১ হাজার টাকা একই অপরাধে ইয়ানুর ফল ভান্ডারের মালিক ইয়ানুর রহমানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এসময় আলমডাঙ্গা থানার এসআই আমিনুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযান শেষে , সহকারি পরিচালক সজল আহমেদ বলেন,আলমডাঙ্গা বাজারে তরমুজ ও খেজুর ক্রয় মুল্যের চেয়ে বেশি মুনাফায় বিক্রয় করা হচ্ছে। তরমুজ পিচ হিসেবে কিনে নিয়ে এসে কেজিতে বেশি মুনাফায় বিক্রি করছে । সেই সাথে মাংস ব্যবসায়ীদের সরকারের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত দামে মাংস বিক্রিয় করার নির্দেশ দেন এবং ওজন সঠিক দেওয়ার জন্য মুরগী ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন।
Leave a Reply